Skip to main content

কে দেবে উত্তর

নির্জণ দ্বীপে

নির্জণ দ্বীপে

এভাবে নির্জণ দ্বীপে রবিনসনস ক্রুশো হয়ে জীবন কাটাবে ?
চতুর্দিকে মন্ত্র উচ্চারণ হিন্দী গানের সুর মানুষ নাচায় ৷
তুমি স্বপ্নে জাগো শব্দরা বন্দী আছে যাদুর মায়ায়
ইতিহাস উঠে আসে কী এক ধোঁয়ার জাল চতুর্দিকে ৷

আঠারো বয়সটাই পাঁচ জন বন্ধুদের সঙ্গে ডুবে থাকা
ক্লাবে কয়েক ঘন্টা ,রাস্তায় কিংবা হয়তো কফির ধোঁয়ায়
জীবনটা দেখে নেওয়া দু একটা ফাঁক ফোঁক পাতার আড়ালে
সরীসৃপ ক্রমান্বয়ে চলে যাচ্ছে ফিটফাট গাধার জীবনে ৷

চতুর্দিকে বৃষ্টি হয় ঝমঝম সাদা আলো চাঁদের আড়ালে
জানলার বাইরে দেখো উদ্ভীন্ন যুবতী রাত একা বসে আছে
কবিতার বই নিয়ে রজনীগন্ধার মতো তোমার অপেক্ষায় ৷

---------
রচনাকাল 26/1/1972
------------------------------------------------------

জন্তুরা তবু সুখে

জন্তুরা তবু সুখে

বাড়ীর ছেলে বেড়ালটা সভ্য ভদ্র, সারাক্ষণ থাকে ভয়ে
কখন মস্তান হুলো বাঘ বিক্রমে এসে ঘাড়টা দেবে মটকে
মেনি বেড়াল দুটোর ভয় নেই তারা সম্রাজ্ঞীর মতো বসে
হুমদো হুলো বেজায় ভদ্র ,প্রেমিকের মতো থাকে  চেয়ে ৷

রাস্তাঘাটে সারমেয়দের দেখি একই বিচার ৷

আমাদের সভ্য সমাজ নিয়মটা নিয়েছে পাল্টে
বাচ্চা মেয়ে তার মা ,ঠাকুমা কেউ নিরাপদ নয় ;
দুপেয়ে হুলো বেড়াল গুলো কাউকেই ছাড়ছে না ; 
আইনের বেড়ার জাল নিয়ে খেলছে ছিনিমিনি ।

নারীকে আগলে রাখা পুরুষের আজন্ম নিয়ম
হোক না সে পরনারী না দিক সে প্রেম  ৷ 
জবরদস্তী করার যুগ চলে গছে কবে ই
রাণী পদ্মিনী করে বিচারের জয়ধ্বনি ৷

পসকো নেই আইন নেই জন্তুরা তবু সুখে
থানা পুলিশ আইন তবুও ভয় আমাদের বুকে
সংস্কৃতির পীঠস্হান শহরে জংগল
আমরা বৃথাই গাই কৃষ্টির জয়গান ৷

-----------------------------------------------------

পদ্ম পাতায় জল

পদ্ম পাতায় জল

পদ্ম পাতায় জল টলমল ,জীবনের পরমায়ু
সোনায় মোড়া সুখের সংসার শুধু মরিচীকা ।
প্রেম ভালোবাসা ,টাকা অমেয় খুশীর উৎসব
না চাইতেই ঈশ্বর দুহাত ভরে শুধু দিয়েছেন ।

হঠাৎ শরীর খারাপ কাশি,ব্যথা অসহ্য যন্ত্রণা
ডাক্তার ওষুধ চলে নিয়মিত ,কিছু কমে কিন্তু আবার ,
ওষুধ পাল্টে যায় ,শেষে পরীক্ষাগারে কয়েকটা টেষ্ট ।
অবশেষে ডাক্তার ভ্রূ কোচকায় ,এ কঠিন রোগ সারবার নয় ।
এককোনে ডেকে দীপাকে নিভৃতে বলে মন শক্ত করো
এখন শুধু দিন গুনবার পালা ,কঠিন সময় ।

আকাশ ভেঙ্গে পড়ে দীপার মাথায় হঠাৎ
বিনা মেঘে বজ্রাঘাত বললেও সবটা বোঝানো যাবে না ।
এ কঠিন পরিস্হিতি বুঝবার নয় ,হৃদপিন্ড খুবলে নেওয়া
অপারেশন টেবিলে শোওয়া অর্ধমৃত একটা মানুষ ।

চালু দোকানে বসবার কেউ নেই ,ব্যাংকের টাকা ভেঙ্গে খাওয়া
এবং চিকিৎসা করা ,দুই চার পাঁচ হাজার প্রতিদিন ।
তবু যদি লোকটাকে বাঁচানো যায় ,ডাক্তারই সব নয়
ভগবান এখনো আছে চন্দ্র সূর্য্য ওঠে প্রতিদিন ,পৃথিবী এখনো ঘোরে ।

আস্ত কালো পাঁঠা মানত করে কালীঘাটে এবং তারাপীঠ
কখনও অন্যায় করিনি ঠকাইনি কারো পাঁচটা পয়সা
সৎপথে থেকে সৎভাবে বেঁচে এই কি হতে পারে পরিনাম ?
তারকেশ্বর গিয়ে দন্ডী কেটে শেষে জানায় শেষ অভিলাষ ।

ওর বাঁচবার ভীষণ ইচ্ছে,পঞ্চাশ হয়নি এখনো ,বাচ্চাগুলো ছোট ।
কিন্তু ঈশ্বর বড়ই নিষ্ঠুর শোনেনা কারো কথা ।
সকালে সূর্য্য ওঠে বাগানে কোকিল ডাকে ফোটে হাস্নুহানা
কোন উপাচার মানে না চিত্রগুপ্ত, স্বর্গের কোন দেবদেবী ।
দীপাকে অকুলসাগরে ভাসিয়ে ছোট দুই পুত্র রেখে সাঙ্গ ভবলীলা ।

যখন দেবার ছিল দুহাত ভরে দিয়েছেন বিশ্ববিধাতা
এখন নেবার সময় তার , ঘড়ির হিসেবমতো ,অতএব
আমাদের উপাচার , প্রার্থনা ,বিলাপ কিংবা অভিশাপ
যতই মাথা কোট হৃদপিন্ড উপড়ে দাও সব যাবে বৃথা ।
------------------------------

যুদ্ধ জমবে

যুদ্ধ জমবে

সব ঝড় থেমে যাবে কাল রাত্রি কেটে যাবে
আবার নতুন সূর্য্য উঠবে নতুন সকাল ৷
সব ক্লেদ সব গ্লানি ধুয়ে মুছে নিয়ে
চাবুক সঙ্গে নিয়ে  চড়ো তেজী ঘোড়া ৷
যেতে হবে অনেকটা পথ চড়াই উৎরাই খাড়ি
পার হতে হবে ঠাট্টা বিদ্রুপের শানিত তরবারী ৷

কারো পাকা ধানের ক্ষেতে দিইনি মই
ভীমরূলের চাঁকে শুধু মেরেছি পাথরটাই ৷
প্রত্যাঘাত করবেই তারা আজ না হোক কাল
মানীর সম্মান হানী করতে পারিনি আড়াল ৷

কৌরবরা একশো ভাই কৃষ্ণের নারায়নী সেনা
যদি কৃষ্ণ থাকে সাথে যুদ্ধ সহজে হারবো না ৷

----------------------------------------------------

বাংলা কবিতা

কবিতালেখা

বাংলাদেশের জল হাওয়া এমন
কবিতা সেখানে ফলতেই থাকে
শস্য বা আগাছা যখন যেমন ৷
স্বভাব কবি অযত্নে বেড়ে ওঠে
পরিচর্যা পেলে কখনও হয়ে ওঠে সত্যিকার বড় কবি ৷
পরিশ্রম চেষ্টা ছাড়া কোন মহৎ কাজ হয়নি কখনও
যতই প্রতিভা থাক এর  নেই অন্য বিকল্প ৷

অনেকেই আছেন রোজ কবিতা লেখেন
কতগুলো শব্দ এলোমেলো সাজিয়ে দিয়েই ভাবেন
বেশ কবিতা হয়েছে, .মাউসে ক্লিক করে
এইবার ডটকমের আকাশে একে দাও ছুঁড়ে ৷
তারপরেই সুরু করেন পরবর্তী কবিতা
রোজ দুটো কি তিনটে অবশ্যই লেখা চাই ।
তাতে না ছন্দ না কোন ভাষার বুনট ৷
কেউ লেখে মনষামঙ্গল কেউ চৈতন্য চরিত
কেউ লেখে চর্যাপদ ভীষণ গম্ধীর ।
শব্দের ও প্রাণ আছে তাকে সমীহ করো
তাকে দাও যথার্থ সম্মান ৷

কিছু আধুনিক কবি  অভিধান ঘেটে কিছু শব্দ নিয়ে
হাতুড়ী ও ছেনী দিয়ে ভাঙা চোড়া
জোড়াতালি করতে করতে
কিছু রূপক কিছু চিত্রকল্প গেঁথে দেন
কিছু চমকায় কবিতায়
কিছু থেকে যায় কবির নিজস্ব মাথায় ।
কখনও সার্থক হয় কখনও কিম্ভূত ৷
তার একটাই চেষ্টা কি করে ঢাকবে তাকে,
কলার মোচার মতো পরতে পরতে ।
কবিতার সূক্ষ্ম বাণী যদি থাকে
রাখ তাকে সবার আড়ালে কিছুতেই
যেন প্রকাশ্যে না আসে ।
কবি নিজেই জানেন না কি সেই
অমৃতময় শিলীন্ধ্রময়  বানী ।
ব্যাখ্যা চাইলে বন্ধুদের তুলে দেন
দুরূহ সে কাজ ।
সামজিকতা ,বন্ধুত্বের দাবী মেনে
অবশেষে মুস্কিল আসান
তৈরী হয় রূপকথার ঘেরাটোপে বন্দী
জড়োয়ায় মোড়া কবির কঙ্কাল ।

বেশ কিছু শক্তিমান ভালো কবি
লিখে যান নিরলস তাকান না কোনদিকে
কারো পাতায় যান না মন্তব্য দেন না
কখনও মন্তব্য দেন নেহাৎ সৌজন্যে ।

সপ্তাহের সেরা না হোক কেউ না পড়ুক
কিছুই প্রভাব ফেলে না তার প্রাত্যহিক কাজে ।

পাঠকের মনে যদি কোন ছবি না ফোটে
না আসে কোন ভাবের প্রকাশ
তবে সে কবিতা সার্থক নয়; ব্যর্থ প্রয়াস ৷
 
---------------------------------------------------------

বাংলা ভাগাড় আজ

বাংলা ভাগাড় আজ

ভাগাড়ের মাংস নিয়ে এত হৈ চৈ ?
পার্ক স্ট্রীটে অর্কেষ্ট্রায়
আধো আলো আধো অন্ধকারে
আধা ন্যাংটো সুন্দরীর
নাচের ছন্দে বাজে রোজ
সিনেমা সঙ্গীত ।
মৃত পচা কুকুর বেড়াল
গরু মোষ হাঁস মুরগী
সবই বেশ  উপাদেয়
সঙ্গে থাকে পানীয় রঙীন ।

বিরিয়ানীর রমরমা
শহর গ্রাম প্রান্তর
সুগন্ধে ভেসে যায়
গন্ধে ম ম করে
নর্দমার ক্লেদ
কোথায় ভাগাড় ?

ভাগাড় আজ সব খানে
শুধু দেখো চোখ খুলে ।
ডাক্তার হসপিটাল
জ্যোতিষী ,পুরোহিত
রাজনীতি নেতা মন্ত্রী
সব ভাগাড়ের পচা মাল ।
বাংলা ভাগাড় আজ
বেঁচে আছে লজ্জায়
ভাগাড়ের অংশ হয়ে
ভাগাড়ের মাংস খেয়ে
পরিতৃপ্ততায় ।
 
-------------------------------------------------------

ঈশ্বরের তরাজু

ঈশ্বরের তরাজু

আঠাশ বছরেই কেউ রাজ্য পাট নিয়ে বাদশা সম্রাট
সংসারের সব সুখ অনায়াসে এসে যায় হাতের মুঠোয় ৷
স্বাস্হ্য চনমনে ,চওড়া কব্জী ও পুরূষালী গোঁফ
সুন্দরী রমনী বন্ধু ,সরকারী চাকুরী মোটা রোজকার
ক্রিকেটে নামডাক ,অগুন্তি বন্ধু সঙ্গে পার্টি ও ক্লাব ।
অফুরন্ত মদে ডুবে স্বপ্ন সুন্দরীর সাথে পূর্ণ সোহাগ ।
রোগ ভোগ অনিয়ম প্রাচুর্য্যেই শেষ হয় বয়সের মাপ
সুখের সাগরে ভাসতে ভাসতে চল্লিশেই বৃদ্ধ হয় একদা সম্রাট ৷

অবনী সংগ্রাম করে, জীবন সুরুই হয় চল্লিশ বছরে ।
স্বাস্হ্য শরীর তরতাজা, সাফল্যর চাবিকাঠী এসে যায় হাতে
আমানত উপচে পড়ে লক্ষ্মী এসে ধরা দেয় কুবেরের সাথে ।
ঈশ্বরের তরাজুতে সুখ দুঃখ ভাগ করা আছে ঠিক ঠাক ৷
সম্রাট বৃদ্ধের শরীর এখন ব্যাধির মন্দির;
অবনী এখন তুমিই নায়ক ;
মহেন্দ্র সিং ধোনী ,ব্যাট দিয়ে কর সব চুরমার ;
তোমার দিকেই তাকিয়ে আছে জগৎ সংসার ৷


 ----------------------------------------------------------

ধর্মের খোঁজে

ধর্মের খোঁজে

নারায়ন পূজো করলে গৃহস্হের মঙ্গল
সত্যনারায়নের সিন্নী দাও পূজা পাঠ করে৷
মন্ত্রের উচ্চারণে দেবতার আশীর্বাদ
সস্নেহে পড়বে ঝড়ে বিঘ্ন হবে নাশ ৷

ভক্তি ভরে অঞ্জলী দাও বেদের জয়গান
ব্রহ্মা,বিষ্ণু ,মহেশ্বর সবাই সমান
মাথা মুন্ডু না বুঝলেও নেই কোন ঝঞ্ছাট ৷
মেয়ের বিয়ে,অন্নপ্রাশন শান্তি স্বস্তয়ন
সবেতেই চাই মন্ত্রপাঠ বৈদিক উচ্চারণ ৷

উপাচার ও দর্শনী সবই তাদের মায়া
নিয়ম নীতি মন্ত্রপাঠ ওদেরই মনগড়া
শ্রাদ্ধ ,শান্তি শ্মশানে ও ধর্মের বেড়াজাল
অন্ধ মৃত মন্ত্র নিয়ে ঋষির বচন
সংহিতা পঞ্জিকায় রয়েছে মহাকাল ৷
এ আচার রীতি নীতি ,ভাষার কুজ্ঝটীকা ,
সভ্যতার অপমান ধর্মের মরিচীকা ৷

------------------------------------------------

সবাই এগিয়ে যায়

সবাই এগিয়ে যায়

এক সঙ্গে রাস্তায় নেমেছিলাম হাঁটতে
সকলেই এগিয়ে গেছে
আমি পিছনে পড়ে আছি একা
অনেক পিছনে বিপন্ন বিস্ময়ে ৷

একদিন কোন সমস্যাই কঠিন ছিলনা
একদিন কোন অঙ্ক ই শক্ত লাগত না
আজকাল হিসাবের খুব গোলমাল হয় ৷

এক দিন দারা ,পুত্র .কন্যা সবাই বাধ্য ছিল
আজ সবাই কেমন অচেনা মনে হয় ৷

একদিন দূর্গম পাহাড়ের চূড়ায় উঠেছি একা
আজ সবাই এগিয়ে যায়
মুখ থুবরে পড়ে যাই
পড়ে থাকি পিছে ৷

বিপন্ন হতাশ আজ
ঘরের কোনায় থাকি
ভীষণ একাকী ৷
 
-----------------------------------------------------

কে দেবে উত্তর

কে দেবে উত্তর

একদিন নরেণ ঘর, বন্ধু বান্ধব,প্রিয় আত্মীয়জন,
অসহায় দুঃখিনী মা সব ছেড়েছিল ;
ভিক্ষাপাত্র হাতে নিয়ে দেশ দেশান্তর ঘুরে
বিশ্ব জয়ের মুকুট নিয়ে একদিন ঘরে ফিরে আসে
প্রিয়তম শিষ্য শ্রীরামকৃষ্ণের ।
মঠ ও সংঘ গড়ে হাজার সন্নাসী নিয়ে ,
সমাজ দেশের স্বার্থে সমর্পিত তাঁদের জীবন ।

আশারাম ঘর ছেড়ে চলে যায় যখন নিতান্ত বালক
তারপর টাংঙ্গাওলা হয়ে সুরু জীবন সংগ্রাম ।
চাতুর্য্য, মেধা আর ভাগ্যের জোরে ভগবান ।
লক্ষ লক্ষ শিষ্য তাদের জীবন যন্ত্রনায়
ফুল পাতা পাদোদক ,রুমাল থেকে বেড়াল, আস্হা অর্জণ ;
আশ্রমের ডালপালা একর একর জুড়ে শহরের বুকে
স্কুল ,কলেজ, হাসপাতাল ,মন্দির টিভি চ্যানেল
গুরুর প্রাত্যহিক বানী ভক্তদের জীবনে দেয় প্রশান্তির আলো,
সংকট মোচনে দেয় আশা , ভালোবাসা,ও বাচাঁর প্রেরণা  ।

ক্ষমতা ও ঐশ্বর্য লাগাম ছাড়া হলে
মানুষ একদিন পাগল হয়ে যায় তারপর শয়তান ।
সংসার সমুদ্রে অশান্তির ঢেউ তুলে বিদ্ধস্ত রমনীরা
সুখ,সম্পদ ও মান নির্ভয়ে তুলে দেয় দেবতার পায়ে ।
কাম মোহ নিত্য নতুন নারীর পেলব পরাগ
নষ্ট ফুলের মধু শেষ হলে কুড়িঁতে সোহাগ ।

হাজার রমনীর অতৃপ্ত সমুদ্রে করেছেন স্নান
মন্হন শেষে অমৃত বারী করেছেন পান
পৃথিবী হাতের মুঠোয় ;মন্ত্রী নেতা শান্ত্রীরা
করজোরে অপেক্ষায় ভিতরের ঘরে ,আশীর্বাদ চাই ।

সদ্য ফোটা ফুলের  কেশর নিয়ে পরীক্ষায় ভগবান
ভক্তের জীবন ধন্য হয়েছে, সেরে গেছে রোগশোক ।
পচা শামুকেই কাটলো পা গ্যাংরীণে ধরলো পচন ।

আশারাম ভগবান তাকেই শাস্তি দেবে সামান্য মানুষ ?
পরশুরামের সঙ্গে টক্কর, নিচ্ছে ন্যায়ালয় ।
বৈদিক যুগ হলে ভস্মই করে দিতেন সমস্ত সংসার ।

ক্যানসার বেধেঁছে বাসা সমস্ত রক্ত গেছে পচে
একজন অশীতিপর বৃদ্ধকে ধরে তাকে শাস্তি দিলে
গ্যাংরীণ ভালো হবে?কাটবে বিপদ ?
প্রশ্ন করতে হবে আজ সমস্ত মানুষকে ৷
ভক্তদের জ্ঞান চক্ষু কবে খুলবে ?কে দেবে উত্তর ?
-----------------------------



Comments

Popular posts from this blog

বাংলা কবিতা --নিখিল বিশ্বাস

আসুরিক উৎসব

দশটি কবিতা